আবাসিক মাদ্রাসায় যৌনপীড়নের ঘটনাগুলো বাড়ছে ক্রমশই। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব ঘটনার পূর্বাপর। সম্প্রতি ঢাকার সাভারে আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার হুজুর কর্তৃক বছরের পর বছর ছাত্রীদের যৌন নির্যাতন করে যাওয়ার এমন অভিযোগ উঠে আসে।
এসব সংবাদ প্রকাশের পরপরই মাদ্রাসাগুলো নিষিদ্ধের দাবি জোরালো হয়। এমন দাবির পক্ষে সোচ্চার হন মুসলিম সমাজেরই একটি অংশ। কেউ যেন নতুন করে মসজিদ, মাদ্রাসা তৈরি করতে না পারে, সেজন্য কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগেরও দাবি তোলেন কেউ কেউ। এবং এসব প্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতনের যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পদস্খলন।
মাদ্রাসাগুলোতে এমনসব কার্যক্রম শিশুর মানসিক অবস্থার প্রতি সংবেদনশীল। বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ বিদ্যমান, যা দেশের প্রচলিত আইনের ব্যত্যয়।
ধর্ম কি কখনো একটি শিশুর জন্য সুরক্ষা স্তর তৈরি করতে পারে?
‘এর উত্তর—না।’
মুসলমানের পবিত্র ধর্ম ইসলাম; এর ধর্ম প্রচারক নবী মোহাম্মদ স্বয়ং একজন শিশু ধর্ষক ও যৌন নিপীড়ক। শিশু আয়েশাকে (৬ বছর বয়স) ধর্মের দোহাই দিয়ে, কোরানের আয়াত নাজিল করে জোরপূর্বক বিয়ে করে। বিয়ের নামে দিনের পর দিন যৌনপীড়ন চালায়। নাবালিকা আয়েশাকে স্বপ্নে নগ্ন অবস্থায় দেখায় আল্লাহ, এরপর নবীজীর স্বপ্নদোষ হয় শিশু আয়েশার সাথে যৌনসঙ্গমে। আল্লাহ তাঁর নবীর মনের কামের বাসনা বুঝতে পেরে কোরানের আয়াত নাজিল করে শিশু ধর্ষণের অনুমতি প্রদান করেন। উনি মহান স্রষ্ঠা!
এছাড়াও নবী মোহাম্মদ তাঁর পালকপুত্র জায়েদের স্ত্রীর সাথে অবয়িধ ভাবে যৌন সঙ্গমে মিলিন হয় গোপনে। এবং পরবর্তীতে কোরানের আয়াত নাজিল করে জয়নব বিনতে জাহশে বিয়ে করেন পুত্র জীবিত থাকতেই।
এ হচ্ছে নবী মোহাম্মদের চরিত্র। আর তাঁর কথিত মুসলিম উম্মতদের চরিত্র কেমন হতে পারে?
ধর্মীয় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজের সকল মানুষকেই শিক্ষা ব্যবস্থার নামে নারী শিশুদের যৌন নির্যাতন এবং ছেলে শিশুদের সাথে বলাৎকারের যেসব ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘুটছে এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা কখনো একটি শিশুর মানুষিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ও শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প হতে পারে না। এসব যৌন নির্যাতনের সেল মাদ্রাসাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে বন্ধে উদ্যোগ নিতে হবে।
