• মতামত
  • সমাজ
  • কলেমাখচিত পতাকা: প্রতীক, প্রতিবাদ নাকি রাজনৈতিক সংকেত? (পর্ব–২)

    প্রথম অংশের পর; 

    কলেমাখচিত কালো পতাকার এমন মিছিল একটি রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। এ রাষ্ট্র সকল ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের। এখানে আছে পরম্পরা।

    রাষ্ট্র কী এসব ঘটনা নির্বিকারভাবে দেখবে?

    এসব ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। এগুলো কোনটাই বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। বাংলাদেশকে শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়নের নামে জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।

    প্রাগৈতিহাসিক সময় (১৪০০ বছর) আগে দ্বীন ইসলামের ধর্মপ্রচারক ধূর্ত নবী মোহাম্মদ ইসলাম প্রতিষ্ঠাকে সামনে রেখে ক্ষমতা ও নারীর লিপ্সায় একের পর এক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের যৌনসঙ্গী বানিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। যুদ্ধে লব্ধ গণিমতের মাল হিসেবে উপভোগ করেছে সেসব নারীদের অনিচ্ছায়। এই ধূর্ত নবী মোহাম্মদ ছিল একজন ধর্ষক। যে একের পর এক বিয়ে করেছে, ১১ স্ত্রী এবং ২ যৌনদাসী নিয়ে এক রঙ্গমঞ্চের জীবন উপভোগ করেছে। শুধুমাত্র বিয়ের নামে ৬ বছরের নাবালিকা শিশুকে যৌন উৎপীড়ন চালিয়েছে। ছিলেন একজন এপস্টিন।

    শরিয়াহ আইন নারীদের বাধ্য করে অবরুদ্ধ হতে। নারীদের পোশাক ও জনসমক্ষে উপস্থিতি সম্পর্কে কঠোর নিয়ম আরোপ করা, সঙ্গীত, কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিনোদনের ওপর বিভিন্ন মাত্রার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া, কিছু অপরাধে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত বা অন্যান্য শারীরিক শাস্তিসহ মানবাধিকারবিরোধী সকল আইন এই শরিয়াহ আইনে বিদ্যমান। যা একটি আধুনিক রাষ্ট্র ও সভ্য সমাজব্যবস্থার অন্তরায়। এই শরিয়াহ আইন জাহেলিয়াতের নিদর্শন।

    সারাদেশে এসব জঙ্গিগোষ্ঠীর পতাকা টাঙানোর ঘটনায় চরমপন্থী সংগঠন হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব এসব উগ্রবাদীদের পক্ষে সাফাই গেয়ে নিজের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে। সেখানে, তাকে বলতে শোনা যায়, “আপনারা সব জায়গায় কলেমার পতাকা লাগায় দিবেন!” এর মধ্য দিয়েই সারাদেশে জঙ্গিবাদের উৎপত্তিস্থল বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের ব্যানারে কলেমাখচিত এসব সাদা ও কালো রঙের পতাকা টাঙাতে দেখা যায়।

    সরকারের উচিত এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। দাড়িওয়ালা মুফতি হারুন ইজহারের মতো নব্য জঙ্গিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া। এবং সারাদেশে এই জঙ্গিদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *