এই যে দেখুন, একজন মুসলমান হয়ে ধর্মকেন্দ্রিক যে কোনো অধর্মের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ এবং লেখনি কখনও কাফের, মুশরিক ও মুরতাদ হিসেবে অভিহিত হতে হচ্ছে।
ইসলাম ধর্ম, কোরআন ও নবী প্রশ্নে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মৌলবাদীরা আপসহীন। ধর্ম মাথায় এমনভাবে গেঁথে গেছে যেখানে ধর্মকে কেন্দ্র করে যে কোনো অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উত্থাপনও …
সাম্প্রতিক সময়ের একটি সমীক্ষা ও বাস্তবতা নিয়ে বলা যাক বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে।
এইডস রোগের চিকিৎসার সাথে যুক্ত এমন কিছু চিকিৎসক জানিয়েছেন, মাদ্রাসাগুলোতে উত্তরোত্তর বাড়ছে এইডস রোগীর সংখ্যা। এবং এর প্রাদুর্ভাব ধারণার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি। মাদ্রাসা আলেম, মওলভী, শিক্ষার্থী যারাই চিকিৎসা নিতে যায়, এদের শতভাগই নিজের পরিচয়কে গোপন করে। এবং চিকিৎসা নিতে আসার আগে দাড়ি পর্যন্ত শেভ করে ফেলে। নিজেদের শ্রমিক, শিক্ষার্থী, ভিন্ন পেশার পরিচয়ে পরিচিত করেন।
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলে মাদ্রাসার একটি সুবৃহৎ অংশ প্রতিষ্ঠিত। জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম-হাটহাজারী, বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসা, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসাসহ অসংখ্য ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবং দেখা যায় চট্টগ্রাম বিভাগের নতুন এইডস রোগীর ৪৬৮ জনের ৩৭৪ জনই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এর প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।
এসকল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বেশিরভাগই দরিদ্র। দেশের গণমাধ্যমেও এসকল কওমি ও আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে শিশু বলাৎকার, যৌনাচার ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে শিশুদের সাথে সমকামিতা চর্চার অভিযোগ রয়েছে। এর কারণে মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষার চেয়ে এখানে একটি শিশুর সুরক্ষা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
শিশু সনদের একটি সমীক্ষা বলছে, বলাৎকার আতঙ্কে মাদ্রাসা থেকে সন্তানদের বের করে নিচ্ছেন অভিভাবকরা। নতুন যুক্ত হয়েছে এইডস রোগের আতঙ্ক।
ইসলাম ধর্মের অনুভূতিকে ব্যবহার করে এ ধরনের পতিতালয় ও যৌনাচারের অবাধ ক্ষেত্রগুলো বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে দ্রুত। যেখানে শিশু সুরক্ষা ও অধিকারের বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং উদ্বেগের।
